৮টি বিচ্ছিন্ন আঞ্চলিক ডেটাবেজ থেকে একটি কেন্দ্রীভূত, সুরক্ষিত ব্যবস্থায় রূপান্তর
৩৫ লাখ গ্রাহকের লেজার ৮টি পৃথক আঞ্চলিক ডেটাবেজে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
কেন্দ্রসমূহ: চট্টগ্রাম · কুমিল্লা · সিলেট · মৌলভীবাজার · ময়মনসিংহ · কিশোরগঞ্জ · টাঙ্গাইল · জামালপুর
৮টি ডেটাবেজ বিচ্ছিন্নভাবে চলছে — কোনো দৃশ্যমানতা বা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নেই।
৮ কেন্দ্রের ডেটা একত্রিত করার ব্যবস্থা নেই; রদবদল ও অসামঞ্জস্য তৈরি হচ্ছে।
রেট (ট্যারিফ) পরিবর্তন হোক বা সফটওয়্যার আপডেট — ৮টি সার্ভারেই আলাদা কাজ; ভুল ও কেন্দ্রভেদে ভিন্ন ভার্সনের ঝুঁকি।
Oracle Developer 6i সব মেশিন ও আধুনিক OS-এ চলে না; মডিফিকেশনও জটিল ও সময়সাপেক্ষ।
ডেস্কটপ-ভিত্তিক Oracle 6i হওয়ায় আলাদা মডিউল — নতুন সংযোগ, বিল-অন-ওয়েব, ই-পেমেন্ট, স্ন্যাপশট।
কেন্দ্রীয় সিস্টেম না থাকায় নতুন মডিউল বানাতে ৮টি সার্ভারের সাথেই আলাদা সংযোগ — খরচ ও ভুলের ঝুঁকি বাড়ে।
৮ ডেটাবেজে কোড অভিন্ন নয় — একই তথ্য বিভিন্ন কেন্দ্রে বিভিন্নভাবে সংরক্ষিত।
গ্রাহক আইডি ইউনিক হলেও অন্যান্য আইডি ইউনিক নয় — কেন্দ্রীভূত করলে সংঘর্ষ হবে।
মন্ত্রণালয় নিয়মিত নতুন নতুন রিপোর্ট চায়, কিন্তু প্রোপার কোডিং কাঠামো না থাকায় সেসব দেওয়া সম্ভব হয় না।
আঞ্চলিক অফিস থেকে তাৎক্ষণিক রিপোর্ট পাওয়া সম্ভব হয় না।
হাতে রিপোর্ট তৈরিতে সময় ও ত্রুটি বেশি — ব্যবস্থাপনায় সঠিক তথ্যের অভাব।
ওয়েব-ভিত্তিক না হওয়ায় বিলের তথ্য জানতে কম্পিউটার কেন্দ্রের উপর নির্ভর — সময় নষ্ট ও সেবা বিলম্বিত।
প্রতিটি কেন্দ্রে পৃথক ডিজাস্টার রিকভারি রক্ষণাবেক্ষণ করা জটিল ও অসংহত।
বিচ্ছিন্ন সিস্টেমে তথ্যের অখণ্ডতা নিশ্চিত করা কষ্টসাধ্য।
সফটওয়্যার রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি ও আউটসোর্সিং ভেন্ডর সার্ভিসে উল্লেখযোগ্য ব্যয়।
আউটসোর্সিং কোম্পানিগুলোর কাছে পর্যাপ্ত দক্ষ জনবল না থাকায় কাজে প্রায়ই ব্যাঘাত ঘটে ও সেবার মান নিশ্চিত করা কঠিন।
প্রতিটি উপাদান BPDB-র প্রয়োজন ও অগ্রাধিকার অনুযায়ী গ্রহণ বা সমন্বয় করা যেতে পারে।
একটিই সিস্টেমে সব কার্যকারিতা
সব কেন্দ্রে অভিন্ন কোড ও ইউনিক আইডি
৮ ডেটাবেজ → একটি
মূল ডেটাবেজ হালকা রাখা
বিদ্যমান সম্পদেই সমাধান
এনক্রিপশন ও নিয়ন্ত্রিত প্রবেশ
Oracle 6i প্রতিস্থাপন — যেকোনো ব্রাউজার ও OS-এ চলবে।
আলাদা এক্সটার্নাল মডিউলগুলোর আর প্রয়োজন থাকবে না।
দূর-দূরান্ত থেকে ডেটা আনা-নেওয়ার দরকার নেই — কাজের গতি ও গ্রাহক সন্তুষ্টি বাড়বে।
কাগজে বিল ছাপানো ও বিতরণের দরকার নেই — মুদ্রণ ও বিতরণ খরচ সাশ্রয়।
গ্রাহক নিজেই বিল দেখে পেমেন্ট করবেন।
এক কেন্দ্র থেকে সব কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ।
৩৫ লাখ গ্রাহকের লেজার ও বকেয়া নির্ভুলভাবে আনতে হবে — সামান্য ত্রুটিও বিলে সরাসরি প্রভাব ফেলে।
সব কেন্দ্রে অভিন্ন কোড কাঠামো চূড়ান্ত
ডুপ্লিকেট ও অসম্পূর্ণ রেকর্ড আগেই চিহ্নিত
অভিন্ন স্কিমে রূপান্তর, ম্যাপিং সংরক্ষণ
পরীক্ষামূলক চালনা, অঙ্ক মিলিয়ে যাচাই
এক চক্রে পুরনো ও নতুন পাশাপাশি
ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ: কেন্দ্রভিত্তিক ধাপে ধাপে মাইগ্রেশন এবং প্রতিটি ধাপে সুস্পষ্ট রোলব্যাক পরিকল্পনা।
৩৫ লাখের মধ্যে প্রায় ২৪ লাখই প্রি-পেইডে রূপান্তরিত — মোট তথ্যের দুই-তৃতীয়াংশ দৈনন্দিন বিলিংয়ে লাগে না।
বকেয়াহীন প্রি-পেইড লেজার আলাদা ডেটাবেজে।
বকেয়া শূন্য হলেই লেজার আর্কাইভে চলে যাবে।
প্রয়োজনে restore — নিয়মিত পরীক্ষা করা হবে।
সমন্বিত রিপোর্টে আর্কাইভের তথ্য ব্যবহারযোগ্য।
ফল: মূল ডেটাবেজে থাকবে কেবল সক্রিয় ও বকেয়াযুক্ত গ্রাহক — দৈনন্দিন বিলিং উল্লেখযোগ্যভাবে দ্রুততর।
নতুন কোনো ডেটা সেন্টার ক্রয়ের প্রয়োজন নেই — বিদ্যমান অবকাঠামোই কাজে লাগানো যায়।
সংযোগ: সকল আঞ্চলিক ও ফিল্ড অফিসে Site-to-Site VPN (AES-256) · Tier 2/3 মানের ডেটা সেন্টার
DR-1 চট্টগ্রাম ও DR-2 কুমিল্লা — প্রাইমারি DC বিকল হলেও সেবা চালু।
ন্যূনতম সময়ে ব্যাকআপ সাইটে সিস্টেম চালু হবে।
শুধু পরিবর্তিত ব্লক DR-এ যায় — RPO ১৫–৩০ মিনিট।
বিবেচনাযোগ্য সফটওয়্যার:
ডেটাবেজ স্তরে সম্পূর্ণ এনক্রিপশন।
সকল ব্যবহারকারীর জন্য বাধ্যতামূলক করার সুপারিশ।
Ransomware ও Insider threat প্রতিরোধ।
বাস্তবায়নের পূর্বে নিরাপত্তা যাচাই।
প্রি-পেইড বিলিং, পোস্ট-পেইড বিলিং, ERP সহ একাধিক সফটওয়্যার সিস্টেম পৃথকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
সকল দপ্তরের মধ্যে একটি সংরক্ষিত Intranet নেটওয়ার্ক — সিস্টেমগুলোর মধ্যে নিরাপদ যোগাযোগ নিশ্চিত হবে ও সাইবার ঝুঁকি হ্রাস পাবে।
এটি BPDB-র বিলিং ব্যবস্থাপনায় নিয়ন্ত্রণ, নির্ভুলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার একটি অপরিহার্য পদক্ষেপ। IT Bangla Ltd. প্রয়োজনে কারিগরি সহায়তা ও পরামর্শ দিতে আগ্রহী।